ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
এল টি কে নিউজ

স্বতন্ত্র এমপিদের একজোট: থাকছেন না রুমিন ফারহানা

সংসদে নির্বাচিত সাতজন স্বতন্ত্র সদস্যের মধ্যে ছয়জন একটি জোট গঠন করেছেন। তবে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা কোনো জোটে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একইভাবে বরগুনা-১ আসন থেকে নির্বাচিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলি উল্লাহও কোনো জোটে যুক্ত হচ্ছেন না। যদিও আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য নির্বাচনে তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী সাধারণ নির্বাচনের মতো সংরক্ষিত নারী আসনেও জোটগতভাবে তাদের প্রার্থী মনোনয়ন দেবে।এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করতে আগামী ৬ এপ্রিল সভা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই দিন এই নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা হতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে চিঠি দিয়ে কমিশনকে জানিয়েছে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন কবে হবে—জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ কালবেলাকে বলেন, ৬ এপ্রিল কমিশন সভা করব। ওই দিনই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তপশিল, তারিখ ঘোষণার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তিনি বলেন, পার্লামেন্ট থেকে দলগুলোর হিসাব চলে এসেছে। এখন আমরা শিডিউল দিলেই দলগুলো তাদের প্রার্থীদের মনোনয়ন দেবে। সে অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাকি কাজ করবেন।ইসি সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সদস্যরা তাদের জোটগত অবস্থান সম্পর্কে এরই মধ্যে কমিশনকে লিখিতভাবে জানিয়েছে। চিঠি অনুযায়ী, সাধারণ সংসদ নির্বাচনে যেই জোট ছিল, সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনেও তা অপরিবর্তিত থাকছে। ইসি সূত্র আরও জানায়, আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের ভোট সামনে রেখে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের প্রথমে চিঠি দেয় ইসি। সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের দিন থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে কি না, সেই বিষয়ে ইসিকে সিদ্ধান্ত জানাতে হয়। এই সময়সীমা ৫ এপ্রিল শেষ হয়েছে। সময় শেষ হওয়ার আগেই দলগুলো কমিশনকে চিঠি দিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত নারী আসন) নির্বাচন আইন, সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের তারিখ থেকে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই হিসেবে আগামী ১৪ মের আগেই সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।আইন অনুযায়ী, সংসদে প্রাপ্ত সাধারণ আসনের আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। ৩০০ আসনের সংসদে প্রতি ছয়জন সাধারণ সংসদ সদস্যের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত থাকে। তবে বর্তমানে আদালতের আদেশে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল স্থগিত থাকায় ২৯৭টি আসনের ফলের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হচ্ছে।ইসি কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে দল ও জোটগুলো তাদের বরাদ্দকৃত আসনের বিপরীতে একজন করেই প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

স্বতন্ত্র এমপিদের একজোট: থাকছেন না রুমিন ফারহানা