রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রায় ৪০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ঢাকাগামী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘাট-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় পন্টুনে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ইউটিলিটি ফেরি এসে পন্টুনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, বাসটিতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। কয়েকজন যাত্রী কোনোভাবে ওপরে উঠতে পারলেও অনেকেই বাসের ভেতরে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে উপস্থিত লোকজনের কিছু করার সুযোগ ছিল না।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং ঢাকা থেকে অতিরিক্ত ডুবুরি পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে বিশেষ উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ কাজ করছে।
বিআইডব্লিউটিসি ও সংশ্লিষ্ট নৌ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার কার্যক্রমে সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। নৌপুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি এখনও স্পর্শকাতর থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য জানানো সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহত বা নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
বিষয় : দুর্ঘটনা

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রায় ৪০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ঢাকাগামী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘাট-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় পন্টুনে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ইউটিলিটি ফেরি এসে পন্টুনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, বাসটিতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। কয়েকজন যাত্রী কোনোভাবে ওপরে উঠতে পারলেও অনেকেই বাসের ভেতরে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে উপস্থিত লোকজনের কিছু করার সুযোগ ছিল না।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং ঢাকা থেকে অতিরিক্ত ডুবুরি পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে বিশেষ উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ কাজ করছে।
বিআইডব্লিউটিসি ও সংশ্লিষ্ট নৌ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার কার্যক্রমে সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। নৌপুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি এখনও স্পর্শকাতর থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য জানানো সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহত বা নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন