মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেছেন, সুযোগ পেলেই মার্কিন রণতরী ধ্বংস বা ডুবিয়ে দিতে প্রস্তুত রয়েছে তেহরান।
ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে। ইরানি সামরিক নেতৃত্বের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রয়োজন হলে এই রণতরীকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালানো হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান তাদের ‘গাদির’ ক্রুজ মিসাইলের মাধ্যমে মার্কিন নৌবহরকে লক্ষ্যবস্তু করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করছে। এমনকি এই চাপের মুখে মার্কিন রণতরীকে অবস্থান পরিবর্তন করতেও বাধ্য করা হয়েছে—এমন কথাও জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তারা পাল্টা হামলা চালিয়ে মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। ফলে পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আগের তুলনায় আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেন, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ইরান তাদের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। তিনি আরও জানান, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উভয় পক্ষের এমন কড়া অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘর্ষের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেছেন, সুযোগ পেলেই মার্কিন রণতরী ধ্বংস বা ডুবিয়ে দিতে প্রস্তুত রয়েছে তেহরান।
ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে। ইরানি সামরিক নেতৃত্বের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রয়োজন হলে এই রণতরীকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালানো হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান তাদের ‘গাদির’ ক্রুজ মিসাইলের মাধ্যমে মার্কিন নৌবহরকে লক্ষ্যবস্তু করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করছে। এমনকি এই চাপের মুখে মার্কিন রণতরীকে অবস্থান পরিবর্তন করতেও বাধ্য করা হয়েছে—এমন কথাও জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তারা পাল্টা হামলা চালিয়ে মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। ফলে পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আগের তুলনায় আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেন, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ইরান তাদের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। তিনি আরও জানান, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান।
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উভয় পক্ষের এমন কড়া অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘর্ষের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন