যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও মধ্যপ্রাচ্যে (ইরানে) মার্কিন সেনা মোতায়েন করার কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছি না। যদি পাঠাতামও, তবে নিশ্চিতভাবেই আমি আপনাদের তা জানাতাম না। কিন্তু আমি সেনা পাঠাচ্ছি না।’
ইরানের অস্ত্র কর্মসূচি নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র কত দূর পর্যন্ত যাবে, তা নিয়ে পর্যালোচনা চলার মধ্যে ট্রাম্পের এ মন্তব্য এল।
তবে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টিকেও বিবেচনায় রাখছে। যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এমনটা হলে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় মার্কিন সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে, ১৯ মার্চ ২০২৬ছবি: রয়টার্স
ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ‘অন্যান্য প্রেসিডেন্টের মতো আমি বলছি না যে সেখানে কোনো মার্কিন সেনা (বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড) থাকবে না। আমি শুধু বলছি, সম্ভবত তাদের প্রয়োজন নেই, তবে যদি প্রয়োজন পড়ে (তবে পাঠানো হতে পারে)।’
চলতি মাসের শুরুতে ইরানে মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েন আছে কি না জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘না’ সূচক জবাব দেন। তবে তিনি এ-ও বলেন যে সরকার ঠিক কত দূর পর্যন্ত যাবে, তা প্রকাশ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে—এমনটা আশা করা ‘বোকামি’।

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও মধ্যপ্রাচ্যে (ইরানে) মার্কিন সেনা মোতায়েন করার কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না, আমি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছি না। যদি পাঠাতামও, তবে নিশ্চিতভাবেই আমি আপনাদের তা জানাতাম না। কিন্তু আমি সেনা পাঠাচ্ছি না।’
ইরানের অস্ত্র কর্মসূচি নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র কত দূর পর্যন্ত যাবে, তা নিয়ে পর্যালোচনা চলার মধ্যে ট্রাম্পের এ মন্তব্য এল।
তবে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টিকেও বিবেচনায় রাখছে। যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এমনটা হলে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় মার্কিন সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে, ১৯ মার্চ ২০২৬ছবি: রয়টার্স
ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ‘অন্যান্য প্রেসিডেন্টের মতো আমি বলছি না যে সেখানে কোনো মার্কিন সেনা (বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড) থাকবে না। আমি শুধু বলছি, সম্ভবত তাদের প্রয়োজন নেই, তবে যদি প্রয়োজন পড়ে (তবে পাঠানো হতে পারে)।’
চলতি মাসের শুরুতে ইরানে মার্কিন স্থল সেনা মোতায়েন আছে কি না জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ‘না’ সূচক জবাব দেন। তবে তিনি এ-ও বলেন যে সরকার ঠিক কত দূর পর্যন্ত যাবে, তা প্রকাশ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে—এমনটা আশা করা ‘বোকামি’।

আপনার মতামত লিখুন