জাতীয় সংসদের অধিবেশন সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় রোববার (৫ এপ্রিল) মোট ৪০ মিনিটের জন্য মূলতবি করা হয়। বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই সিদ্ধান্ত দেন। প্রথম ২০ মিনিট নামাজের বিরতি থাকলেও পরবর্তী ২০ মিনিট মাইকের সমস্যার কারণে অধিবেশন চালু করা সম্ভব হয়নি।
এর আগেও গত ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী দিনে একই ধরনের প্রযুক্তিগত বিপত্তি দেখা দেয়। তখন বিকল্প সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে অধিবেশন চালু করা হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নাশকতার দিকও খতিয়ে দেখতে সংসদের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে প্রথমে ৩ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরে সময় বাড়িয়ে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সংসদ ভবনে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্লেনারি হলের সাউন্ড সিস্টেম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের জন্য ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকার চাহিদা দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ না মেলায় জরুরি ভিত্তিতে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে সিস্টেম সচল করা হয়, কিন্তু সেটি এখনও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।
জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বারবার সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেওয়া শুধু প্রযুক্তিগত দুর্বলতার ইঙ্গিত নয়, এটি সংসদীয় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। দ্রুত কার্যকর সমাধান না হলে ভবিষ্যতেও অধিবেশন পরিচালনায় এমন বিঘ্ন দেখা দিতে পারে।
বিষয় : সংসদ সাউন্ড সিস্টেম অধিবেশন

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদের অধিবেশন সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় রোববার (৫ এপ্রিল) মোট ৪০ মিনিটের জন্য মূলতবি করা হয়। বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই সিদ্ধান্ত দেন। প্রথম ২০ মিনিট নামাজের বিরতি থাকলেও পরবর্তী ২০ মিনিট মাইকের সমস্যার কারণে অধিবেশন চালু করা সম্ভব হয়নি।
এর আগেও গত ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী দিনে একই ধরনের প্রযুক্তিগত বিপত্তি দেখা দেয়। তখন বিকল্প সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে অধিবেশন চালু করা হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নাশকতার দিকও খতিয়ে দেখতে সংসদের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে প্রথমে ৩ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরে সময় বাড়িয়ে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সংসদ ভবনে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্লেনারি হলের সাউন্ড সিস্টেম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের জন্য ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকার চাহিদা দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ না মেলায় জরুরি ভিত্তিতে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে সিস্টেম সচল করা হয়, কিন্তু সেটি এখনও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।
জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বারবার সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেওয়া শুধু প্রযুক্তিগত দুর্বলতার ইঙ্গিত নয়, এটি সংসদীয় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। দ্রুত কার্যকর সমাধান না হলে ভবিষ্যতেও অধিবেশন পরিচালনায় এমন বিঘ্ন দেখা দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন